প্রথম ভাসমান সৌর প্যানেলের বিদ্যুৎ যুক্ত হল জাতীয় গ্রিডে
উত্তরের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের বুলনপুরে দেশের প্রথম ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যুক্ত হলো জাতীয় গ্রিডে। সেখানকার একটি মৎস্য খামারের ৬ একর আয়তনের জলাশয়ের ৫০ শতাংশ জমি ব্যবহার করে স্থাপন করা হয়েছে সৌরপ্যানেল। জলাশয় থেকে দিনে ৮০০ কিলোওয়াট হারে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে বুলনপুরে অবস্থিত নবাব অটোরাইস মিল এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে সৌরবিদ্যুত উৎপাদন করছে জুলস পাওয়ার লিমিটেড। ২ দশমিক ৩ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্রটির দশমিক ৮ মেগাওয়াট সৌর প্যানেল ভাসমান অবস্থায় স্থাপন করা হয়েছে অটোরাইস মিল মালিকের জলাশয়ের পানির ওপর। এজন্য মোট ৬ একর জলাশয়ের মধ্যে ৩ একর ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে জলাশয়ের পাশে মিলের ছাদে।। সোমবার দুপুরের দিকে এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। আর মঙ্গলবার থেকে যুক্ত হয়েছে জাতীয় গ্রিডে।
চাঁপাইনবাবাগঞ্জের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে রয়েছে নবাব অটো রাইস মিলের কারখানা এলাকায় বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানি জুলস পাওয়ার। মাছের খামারে উৎপাদিত বিদ্যুত থেকে রাইস মিলে সরবরাহ করা হচ্ছে দৈনিক ২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট এতে করে খরচের প্রায় ৭০ শতাংশ সাশ্রয়ের কথা বলছে বাস্তবায়নকারী কোম্পানি।
আর ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা ২ দশমিক ৩ মেগাওয়াট জানিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। জানিয়েছেন, এই প্রকল্পটির ফলে একই জলাশয় থেকে মিলবে মাছ ও বিদ্যুৎ।







